― Advertisement ―

আলজিয়ার্সে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আলজেরিয়ার আলজিয়ার্সস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হয়েছে। ঐতিহাসিক এই অর্জনের স্মরণে আলজিয়ার্সের বাংলাদেশ মিশন এক বিশেষ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

গত রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের সূচনায় জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বার্তা পাঠ করে শোনান মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর তৈরি একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিষয়ক এক মুক্ত আলোচনা সভা। আলজেরিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বাংলাদেশ থেকে যাওয়া একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দল এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

আলোচনায় আলজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ নাজমুল হুদা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের মূল দর্শনই ছিল সমাজ থেকে সব ধরনের বৈষম্য, অবিচার ও নিপীড়ন নির্মূল করা। সুশাসনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এর মূল লক্ষ্য।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়ন এবং ‘জুলাই সনদের’ প্রতিশ্রুতি পূরণে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে বৈষম্যহীন দেশ গঠনে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ চলছে।

রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের ঐতিহাসিক ভূমিকার প্রশংসা করে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের’ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান। আলোচনা শেষে জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। আয়োজনের শেষভাগে অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।