― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়বে ‘নিসচা’

দেশের সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং প্রাণহানি কমাতে সরকারের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে সামাজিক সংগঠন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’। রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) ঢাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাথে নিসচার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে রাজপথে সক্রিয় থাকা সংগঠনটি এখন সরকারি উদ্যোগের সাথে একাত্ম হয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

নিসচার মহাসচিব লিটন এরশাদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের সড়ক নিরাপত্তার বর্তমান সংকট ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জনগণের মধ্যে আইন মেনে না চলার প্রবণতা এবং বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশের জনবল সংকট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে হওয়ায় সমন্বয়ে কিছু জটিলতা থাকলেও ভবিষ্যতে নিসচাকে সাথে নিয়ে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জিয়াউল হকের সাথেও নিসচার প্রতিনিধি দল পৃথক বৈঠক করেন। সেখানে সড়ক নিরাপত্তার মানোন্নয়নে একগুচ্ছ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং যানজট নিরসনে নিসচার সাথে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন সচিব। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনিসুর রহমানের সাথেও সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বৈঠক করেন এবং নিসচার দীর্ঘ আন্দোলনের প্রামাণ্য দলিল তার হাতে হস্তান্তর করা হয়।

প্রতিনিধি দলে নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এম আর হাসানসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের নীতিনির্ধারণী শক্তির সাথে নিসচার মতো একটি অভিজ্ঞ সামাজিক সংগঠনের সমন্বয় ঘটলে সড়কের বিশৃঙ্খলা দূর হবে এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। যানজটমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে সরকারি পরিকল্পনা, তার সফল বাস্তবায়নে এই যৌথ উদ্যোগ একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।