― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

মিনিস্টার হুমায়ুন কবিরের সাথে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাস্থ্য ও রোহিঙ্গা পুনর্বাসন

বাংলাদেশ ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের দীর্ঘ ৫০ বছরের পারস্পরিক ট্রাস্ট ও গভীর ফ্রেন্ডশিপের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারপারসন ইওহেই সাসাকাওয়া। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারপারসন জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাসংগ্রামের সময় বাস্তুচ্যুত মানুষের পাশে জরুরি ত্রাণ সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশে তাঁদের সহায়তার হাত প্রসারিত হয়েছিল। সেই থেকে নিপ্পন ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক রূপান্তরে অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে তাঁদের মনোযোগের মূল কেন্দ্রে রয়েছে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিরসন ও স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়ন।

ইওহেই সাসাকাওয়া প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে গত ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বব্যাপী কুষ্ঠরোগ নির্মূলে কাজ করছেন। বাংলাদেশে কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সেবাদান ও পুনর্বাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন সরাসরি কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা বাড়াতে আগ্রহী।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই মানবিক সহায়তা প্রদান করায় নিপ্পন ফাউন্ডেশন এবং জাপান সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সেচ্ছায়, টেকসই এবং সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাপানের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই দীর্ঘস্থায়ী আঞ্চলিক মানবিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আঞ্চলিক স্থায়িত্ব এবং সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশ্বমঞ্চে জাপানের আরও কার্যকর ভূমিকার ওপর জোর দেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের সার্বিক বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।