আগামীকাল ২২শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ৪৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। এবছরও বাংলাদেশের প্রকাশকদের বইমেলায় যোগ দিতে দেয়নি আয়োজকরা। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্যাভেলিয়ন থাকবে না।
এর আগে প্রতিবছরই বাংলাদেশের অনেক প্রকাশক কলকাতা বইমেলায় যেতেন এবং সেখানে বাংলাদেশের লেখকদের বই প্রচুর বিক্রি হতো।
তবে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসার পর গত বছর বাংলাদেশকে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি।
কলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় মঙ্গলবার গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের তরফে এবার মেলায় যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরাই তাদের যোগ দিতে দিচ্ছি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত ছাড়া বাংলাদেশকে মেলায় যোগদান করার ছাড়পত্র দিতে পারছি না। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম, তবে সেই সবুজ সংকেত আসেনি, তাই বাংলাদেশ মেলায় থাকছে না।
নিয়মিত মেলায় যোগ দিত আরেকটি যে দেশ, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এবারের বইমেলায় থাকবে না, কারণ তাদের “বাজেট অ্যালোকেশন হয়নি” বলেও জানিয়েছেন ত্রিদিব চ্যাটার্জি।
প্রসঙ্গত, এর আগে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশকে নিয়েই আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা অনুষ্ঠিত হতো। প্রতি বছরই বইমেলার আকর্ষণ হিসেবে থাকত বাংলাদেশের কোন স্থাপত্যের অনুকরণে তৈরি বিশাল প্যাভিলিয়ন। পশ্চিমবঙ্গের পাঠকরাও অপেক্ষা করে থাকতেন বাংলাদেশের লেখকদের নতুন নতুন বইয়ের জন্য।



