আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে। আজ বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর কাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রার্থীরা মাঠে নামবেন আনুষ্ঠানিক প্রচারণায়। ভোটারদের নিজের দিকে টানতে বা সমর্থন চাইতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ শুরু করবেন প্রার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার ছিলো প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন নির্বাচন কমিশন (ইসি) ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। আপিলের পর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন আরও ৪১৮ জন প্রার্থী।
প্রার্থীরা সরে দাঁড়ানোয় অনেক আসনে এখন জোটের ও দলের একক প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। কোনো কোনো আসনে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীও আছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আজ প্রার্থীদের নামে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার কথা রয়েছে।
আগামীকাল থেকে শুরু হবে প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার। তবে রাত ১২টা থেকেই অনলাইনে প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। মাঠের প্রচার শুরু হবে আগামীকাল সকাল থেকে।
বিএনপি’র দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হবে পূণ্যভূমি সিলেট থেকে। বৃহস্পতিবার সিলেটের হযরত শাহজালাল ও শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দলীয় প্রচারণা শুরু করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচার শুরু করবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেও বিএনপির অর্ধ শতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী এখনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীদের অন্তত সাতটি আসনে তাদের জোটের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী রয়ে গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে এবারের জাতীয় নির্বাচন মূলত বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নেবে।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহের পর আজ বুধবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সম্পূর্ণ তালিকা পাওয়া যাবে।
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এর আগে ১০ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবনে। ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।



