― Advertisement ―

এশিয়ার খাদ্যব্যবস্থা আমূল পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি সুপেয় ও দূষণমুক্ত নদী

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তার ইতিহাস মূলতঃ নদনদীর ইতিহাসের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সিন্ধু থেকে মেকং, কিংবা হলুদ নদী থেকে গঙ্গা—এ অঞ্চলের নদীগুলো শতাব্দী ধরে...

নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে প্রথম রায়ের ৬ বছর : আদেশ কার্যকরের অপেক্ষায় এখনও পরিবার

৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী দিন। এই দিনে “নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩” এর অধীনে দেশের প্রথম রায় ঘোষণা করা হয় পুলিশ হেফাজতে পল্লবীর আলোচিত জনি হত্যা মামলায়।

২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবীর ইরানী ক্যাম্পে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে পুলিশের সোর্স কর্তৃক নারীদের হয়রানির প্রতিবাদ করায় ইশতিয়াক হোসেন জনি ও তার ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকিসহ কয়েকজনকে পল্লবী থানা পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে নির্মম নির্যাতনে জনিকে হত্যা করা হয়।

দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ৩ পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন ও ২ সোর্সকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। এটিই ছিল এই আইনের প্রথম রায়।

পরবর্তীতে সেই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলে হাইকোর্ট ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা- এসআই জাহিদুর রহমান ও এএসআই কামরুজ্জামানের যাবজ্জীবন বহাল রাখেন। আরেক আসামি এএসআই রাশেদুলের সাজা কমিয়ে ১০ বছর করেন এবং আসামি রাসেলকে খালাস দেন।

কিন্তু ৬ বছরেও আদালতের নির্দেশিত ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আজও পায়নি জনির দুই এতিম সন্তান। খালাসের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে মামলা ঝুলে আছে। পলাতক আসামি কামরুজ্জামান মিন্টু এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এছাড়া মামলা তুলে নিতে নিহত জনির ছোটভাই ও বাদী ইমতিয়াজ হোসেন রকিকে এখনও হুমকি ও ষড়যন্ত্রের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দীর্ঘদিন অভিযোগ করে আসছেন তিনি। তাই পরিবারটি এখনও আতঙ্কে দিন পার করছে।

বাদী ইমতিয়াজ হোসেন রকি সাংবাদিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, এরা পাশে না থাকলে এ পর্যন্ত আসতে পারতেন না। সবার সহযোগিতায় নিম্ন আদালত, হাইকোর্ট পার হয়েছেন। তিনি আজ ৯ সেপ্টেম্বর নিম্ন আদালতের রায়ের ৬ বছর উপলক্ষে তার ভাইয়ের চূড়ান্ত বিচার ও ক্ষতিপূরণের জন্য রাষ্ট্র ও সবার সহযোগিতা চান।