দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে জয়েন্ট চেম্বারগুলোর ভোটাধিকার পুনর্বহালের জোর দাবি জানিয়েছে কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিআইএস-বিসিসিআই)। সংগঠনের নেতারা মনে করেন, জয়েন্ট চেম্বারগুলোর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠনটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিত্ব ব্যাহত হবে।
বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে মতিঝিলে অবস্থিত এফবিসিসিআই কার্যালয়ে সংগঠনটির নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ ফজলুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই দাবি তুলে ধরা হয়। সিআইএস-বিসিসিআই সভাপতি যাদব দেবনাথের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশ নেয়।
বৈঠকের শুরুতেই সিআইএস-বিসিসিআই নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত প্রশাসককে পুষ্পস্তবক দিয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তারা আশা প্রকাশ করেন, অভিজ্ঞ এই প্রশাসকের বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনায় দেশের সার্বিক বাণিজ্য, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের স্বার্থ সংরক্ষণে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সিআইএস-বিসিসিআই সভাপতি যাদব দেবনাথ জয়েন্ট চেম্বারগুলোর বিভিন্ন সামাজিক ও প্রশাসনিক কাঠামোগত বিষয় তুলে ধরেন। তিনি প্রস্তাব করেন, এফবিসিসিআই-এর বার্ষিক সদস্য চাঁদার হার পুনর্বিবেচনা করে জয়েন্ট চেম্বারগুলোর জন্য তা যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে পর্ষদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রদান এবং নীতি নির্ধারণী বিভিন্ন কমিটিতে সমতাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সিআইএস-বিসিসিআই নেতৃবৃন্দের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জয়েন্ট চেম্বারগুলোর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে, তাই শীর্ষ সংগঠনে তাদের কথা বলার সুযোগ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
এফবিসিসিআই প্রশাসক মোঃ ফজলুল হক প্রতিনিধি দলের প্রস্তাব ও উদ্বেগগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি উদ্যোগটির প্রশংসা করে জানান, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সব স্তরের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে সুদৃঢ় সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বৈঠকে সিআইএস-বিসিসিআই-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তৌহিদা সুলতানা, পরিচালক সালমা হোসেন এ্যাশ, মোঃ এনামুল হক, খান মোঃ ইকবাল, উপদেষ্টা মাহবুব ইসলাম রুনু, এম. এস. সিদ্দিকী এবং উপসচিব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।



