― Advertisement ―

জিম্বাবুয়ের ফেরি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪

জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) আরও মরদেহ উদ্ধারের পর এই সংখ্যা জানায় দেশটির পুলিশ। দুর্ঘটনার পরও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রবল ঢেউয়ের মধ্যে ফেরিটি উল্টে যায়। ফেরিটিতে সর্বোচ্চ ১৫৩ জন যাত্রী থাকতে পারেন বলে আগে ধারণা করা হয়েছিল। অথচ নৌযানটির অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র ৯০ জন। তবে সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃত যাত্রীসংখ্যা এর চেয়েও বেশি হয়ে থাকতে পারে।

জিম্বাবুয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর ৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে হ্রদে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে এবং আরও মরদেহ উদ্ধারের আশঙ্কা রয়েছে।

নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৮ জন শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স ছিল মাত্র এক বছর। নিহত শিশুদের ১৬ জনের বয়স ১০ বছর বা তার কম বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বয়স্ক এই ফেরিটি কারিবা শহর থেকে জিম্বাবুয়ের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের এলাকায় যাচ্ছিল। ওই অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ দুর্বল এবং গণপরিবহনের সুযোগও সীমিত। ফলে স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে ফেরিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।

কারিবা হ্রদ জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার মধ্যে অবস্থিত এবং আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ। দুর্ঘটনার পর অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।