সাবেক ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডের মৃত্যুর ঘটনায় গণমাধ্যমের কথিত হয়রানির অভিযোগ তদন্তে যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে জনসম্মুখে তদন্তের দাবি উঠেছে।
রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) আয়োজকেরা জানান, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে একটি প্রকাশ্য তদন্ত (Public Inquiry) আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে করা আবেদনে ইতোমধ্যে ৩১ হাজারের বেশি মানুষ, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন এমপিও রয়েছেন, স্বাক্ষর করেছেন।
অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠন গুড ল’ প্রজেক্ট এই আবেদনটি শুরু করে। সংগঠনটির দাবি, জেসন আরডের প্রতি সংবাদমাধ্যমের কথিত হয়রানি তার মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ছিল।
গুড ল’ প্রজেক্ট তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, আরডের “মর্মান্তিক মৃত্যু সংবাদমাধ্যমের হয়রানির সরাসরি, অনুমানযোগ্য এবং পূর্বানুমেয় ফল”—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়।
আরডে তিন বছর আগে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আলোচনায় আসেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যুর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে সংবাদমাধ্যমের আচরণ এবং তার মৃত্যুর সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কথিত গণমাধ্যম হয়রানির সঙ্গে এর সম্পর্ক নিয়ে সরকারি তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আনুষ্ঠানিক তদন্তের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।



