বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। আজ এক বিশেষ বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। ইউএই প্রেসিডেন্ট নতুন রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক এই বার্তা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্ব বহন করছে। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধন এতে নতুন মাত্রা পাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কেবল প্রেসিডেন্টই নন, আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে অভিনন্দন বার্তা পাঠানো হয়েছে। ইউএই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সাফল্য কামনা করেন।
একইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্টের চেয়ারম্যান শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ ও কার্যভার গ্রহণের ঐতিহাসিক এই ক্ষণে তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ও শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় ইচ্ছা ব্যক্ত করেছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করাই এই রাষ্ট্রীয় বার্তার মূল লক্ষ্য।
বাণিজ্য, শ্রমবাজার ও দ্বিপাক্ষিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক বোঝাপড়া বহুকাল থেকেই সুদৃঢ়। ঢাকার কূটনৈতিক অঙ্গন মনে করছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রভাবশালী দেশটির সাথে সামনের দিনগুলোতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নতুন যৌথ কৌশলগত সম্ভাবনা তৈরি হবে।



