― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

ব্রিটিশ পণ্য ও সেবা ক্রয়ে ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ দেবে ‘ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স’

ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স (ইউকেইএফ) বাংলাদেশে ১ থেকে ২ বিলিয়ন (১০০ থেকে ২০০ কোটি) পাউন্ড পর্যন্ত অর্থায়নের সক্ষমতা ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ পণ্য ও সেবার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বাংলাদেশি ক্রেতারা এই আর্থিক সহায়তা সুবিধা নিতে পারবেন। ঢাকা সফররত যুক্তরাজ্যের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে এ সুযোগের কথা জানান।

এই আর্থিক সুবিধার মূল লক্ষ্য পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিমানবন্দর উন্নয়ন, উৎপাদন শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অবকাঠামো খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স প্রধানত ইউকে সরকারের একটি বিশেষায়িত রপ্তানি ঋণ সংস্থা। তারা সহজ শর্তে ঋণ, গ্যারান্টি এবং বীমা সুবিধার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রকল্প সহজতর করে।

২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফরে থাকা তিন সদস্যের ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলটি সরকারি কর্মকর্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করছেন। সেখানে ব্রিটিশ প্রযুক্তি ও অর্থায়ন কীভাবে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন চাহিদা পূরণ করতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে।

সফররত প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বিরেল, ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্সের বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল প্রধান সন্দীপ কুদতারকার এবং বাণিজ্য নীতি প্রধান রোহিনী আগরওয়াল। এই দলটি ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশ ও সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব যাচাইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ইতিমধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, এইচএসবিসি এবং আইসিসি বাংলাদেশের মতো খ্যাতনামা ব্যাংকিং ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব আলোচনায় ষাটটিরও বেশি স্থানীয় মুদ্রায় দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রক্রিয়া চালুর উপায় খুঁজে বের করা হচ্ছে। এর মধ্যে বায়ার ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি, স্ট্যান্ডার্ড বায়ার লোন গ্যারান্টি, ডিরেক্ট লেন্ডিং এবং আর্লি প্রজেক্ট সার্ভিসেস গ্যারান্টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ব্রিটিশ ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বিরেল বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ় ও দীর্ঘদিনের। এই সফরের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সরকারি নীতিনির্ধারকদের চাহিদা সরাসরি বোঝার সুযোগ পাচ্ছি, যা দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।