― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

মা বলে চিৎকার দিয়ে নিথর হয় সুজনের দেহ

নিজস্ব প্র্রতিবেদক:
বরিশাল নগরীতে ছিঁড়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারে সংযুক্ত হয়ে বিদ্যুতায়িত লোহার গেট ছুঁয়ে প্রাণ হারালো সুজন (১৫) নামে এক কিশোর। মৃত সুজন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাসিন্দা। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে বরিশাল নগরের প্যারারা রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সুজন বরিশালের প্যারারা রোডে ‘মোমিন খাবার ঘর’ নামের হোটেলে প্রায় নয় মাস ধরে কাজ করতেন। তিনি হোটেলের পেছনের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রতিদিনের মতোই সকালে গোসল সেরে কাজে যেতে বের হচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়, গেট খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুজনের।

প্রত্যক্ষদর্শী আল আমিন বলেন, ‘গেটটি আগে থেকেই বিদ্যুতায়িত ছিল। একটি ছেঁড়া তার পড়ে থাকায় গেটে বিদ্যুৎ চলে আসে। সুজন গেট ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘মা’ বলে চিৎকার দিয়ে পরে যায়। এরপর থেমে যায় সুজনের দেহ। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম)-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হোটেল মালিক নূর আলম বলেন, “সুজন নয় হাজার টাকা বেতনে আমাদের এখানে কাজ করতো। সেই বেতনের টাকায় নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মা-বাবাকে সাহায্য করতো। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন—বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলা এবং এলাকার বৈদ্যুতিক তারগুলোর নাজুক অবস্থাই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ।