ইরানে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রার দ্রুত অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিক্ষোভকারীরা দেশটির একটি সরকারি ভবনে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেন।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ভবনটির ফটক ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন। আর ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি সংঘবদ্ধ ‘দাঙ্গাবাজ’ গোষ্ঠী ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফারস প্রদেশের ফাসা শহরে স্থানীয় সরকারের একটি ভবনে ঢোকার চেষ্টা করে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে হামলা ব্যর্থ হয়। এই দাঙ্গাবাজদের নেতৃত্বে থাকা ২৮ বছর বয়সী এক নারী সহ চারজন ‘হামলাকারী’–কে আটক করা হয়েছে।’
দেশটির রাজধানী তেহরান ছাড়া আরও কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার তেহরানে শিক্ষার্থীরাও রাস্তায় নামেন। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইস্পাহান, ইয়াজদ ও জানজান শহরে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এ অস্থিরতার পেছনে বিদেশি হস্তক্ষেপ থাকার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘আমরা এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে দেশের শত্রুরা বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগের প্রয়াস চালাচ্ছে।



