― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

৪৬তম বিসিএসে স্থগিত ৬ প্রার্থীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ সঠিক, চূড়ান্ত সুপারিশ করল পিএসসি

৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে স্থগিত রাখা ছয়জন প্রার্থীর সাময়িক সুপারিশের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তাঁদের দাখিলকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ সঠিক পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) পিএসসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা শেষে এই ছয় যোগ্য প্রার্থীর ক্যাডার কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।

এর আগে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ৪৬তম বিসিএস (পরীক্ষা ২০২৩)-এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছিল পিএসসি। সেই সময় বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৪৫৭ জন প্রার্থীকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুনঃযাচাইয়ের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় এই ছয় প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। পিএসসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও মাঠপর্যায়ের তদন্তে তাঁদের সনদ শতভাগ সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় আজ তাঁদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হলো।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন করে সুপারিশপ্রাপ্ত এই ছয়জনের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে পাঁচজন এবং টেকনিক্যাল বা পেশাগত ক্যাডারে একজন স্থান পেয়েছেন। সুনির্দিষ্টভাবে, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন দুজন, যাঁদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর যথাক্রমে ১১১০৭২৭৮ ও ১১০২৫২৬৪। এছাড়া বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১১০৮৯৮২৯, বিসিএস কর ক্যাডারে ১৩০২৭৮৬৬, বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে ১৩০২৫২৮১ এবং কারিগরি বা প্রফেশনাল ক্যাডারের অংশ হিসেবে বিসিএস পশুসম্পদ ক্যাডারে ১৭০১৮৬৫১ নম্বরধারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।

তবে পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বর্তমান এই সুপারিশটি সম্পূর্ণ সাময়িক। চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন বা নিয়োগ জারির আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, কোটার কাগজপত্র এবং অন্যান্য নথির সত্যতা পুনরায় যাচাই করবে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত মেডিকেল বোর্ডের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যোগ্য ঘোষিত হওয়া এবং গোয়েন্দা পুলিশের ভেরিফিকেশন (Police Verification) সন্তোষজনক হওয়ার পরেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাঁদের চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেবে। কোনো প্রার্থীর তথ্যে জালিয়াতি বা অসত্যতা প্রমাণিত হলে যেকোনো পর্যায়ে তাঁর মনোনয়ন বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।