বরিশাল মেইল ডেস্কঃ
মাদারীপুরে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের আহত হয়েছে প্রায় ৩০ জন। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে ৬ জন। এ সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়ায় শকুনী লেকের পানিতে ডুবে একজন মারা গেছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শকুনী লেকের পানি থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন লাশ উদ্ধার করে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাদারীপুর শহরের ডিসি ব্রিজ এলাকায় জড়ো হয় আন্দোলনকারীরা। পরে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় তারা। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে পুলিশ যোগ দিলে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়। পরে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ।
পরবর্তীতে ছত্রভঙ্গ হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয় আন্দোলনকারীরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাসুম বিল্লাহ বলেন, যেকোনো উপায়ে কোটার যৌক্তিক সংস্কার করতে হবে। এজন্য ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ মাদারীপুরে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর শেখ আহাদুজ্জামান বলেন, শকুনি লেকে ৩ জন নিখোঁজের খবর পেয়ে ডুবুরি তৎপরতা চালাচ্ছেন। উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হলে জানানো হবে। ডিউটি অফিসার মো. ইমারত হোসেন জানান, একজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলাউল হাসান জানান, পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



