― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

পটুয়াখালীতে খাল দখল ও দূষণের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক,পটুয়াখালী:

অটো রাইচ মিলের বিষাক্ত বর্জ্য, করাত কলের অবৈধ দখল ও দূষণে গোরাই শাখা নদী এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। হুমকির মুখে পরেছে জীব বৈচিত্র। তিনটি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এই খালটি দখল ও দূষণমুক্ত করতে এবার স্থানীয়রা এক জোট হয়েছেন। তারা বাসযোগ্য পরিবেশ গঠনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

আজ বুধবার (২১ মে) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম শারিকখালী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচিতে এলাকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, নারী, কৃষক, যুবসমাজ, প্রবীণ নাগরিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

এ সময় বক্তরা বলেন, সদর উপজেলার কালিকাপুর, আউলিয়াপুর ও মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গোরাই শাখা নদী। কিন্তু এলাকায় একটি অটো রাইচ মিল থেকে বিষাক্ত বর্জ্য নির্গমন হচ্ছে ওই খালে। এছাড়াও একটি করাত কলের বর্জ্য ও শাখা নদীর দুই পাড় বেদখর হয়ে পড়ায় নদী শুকিয়ে মরা খালে পরিনত হয়েছে। মরাখালের ময়লা আবর্জনা পচে দুগর্ন্ধে পরিবেশ হুমকিতে পড়েছে।

মিলের বর্জ্য পানিতে ফেলায় শাখা নদীতে এখন আর মাছ নেই। পানি পচে যাওয়ায় তা চাষাবাদে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। স্কুলে যাতায়াত করতে খালের পাড় দিয়ে যেতে দুর্গন্ধে নাক চেপে যাতায়াত করতে হয় শিক্ষার্থীদের।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষক সুমি বেগম বলেন, ‘এক সময়ের নদী এখন মরা খাল। তাও আবার দখল হয়ে যাওয়ায় পানি আটকে আছে। ফলে মশার উৎপাদন বাড়ছে। খালের দুই পাড় দখল হয়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে মরা খালের দুর্গন্ধযুক্ত পানি উপচে লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। এই অবস্থায় আমরা বাঁচতে চাই, আমাদের পরিবেশকে বাঁচাতে চাই।’

মানববন্ধনে বক্তরা অটো রাইচ মিল থেকে বিষাক্ত বর্জ্যপানি নির্গমন অবিলম্বে বন্ধ করা, করাত কলের বর্জ্য অপসারণ, অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে স্থানীয় খাল উদ্ধার করা, প্রাকৃতিক শাখা নদীতে পরিনত করাসহ পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসি।