― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বাণিজ্য জোরদারে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্তিয়াওয়াতীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণে সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষর, ওষুধসহ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বহুবিধ ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাণিজ্য ও ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়। উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়সহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন উভয় প্রতিনিধি।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করতে বাংলাদেশ থেকে পণ্য ও সেবা আমদানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্যিক সম্পর্ককে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (সিইপিএ বা সেপা) পর্যায়ে উন্নীত করার ব্যাপারে ঢাকার প্রস্তুত থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

পর্যটন, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং সাধারণ মানুষের যোগাযোগ বাড়াতে তিনি বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার তাগিদ দেন। জবাবে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্তিয়াওয়াতী বাংলাদেশে তৈরি ওষুধসহ অন্যান্য সামগ্রী ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বৃদ্ধিতে তাঁর দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। এর জবাবে রাষ্ট্রদূত লিস্তিয়াওয়াতী জ্ঞান আদান-প্রদান, কৌশল বিনিময় এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসিয়ান (ASEAN)-এর ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়া এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি বা আরসিইপি) যুক্ত হতে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চান। রাষ্ট্রদূত লিস্তিয়াওয়াতী বাংলাদেশের এসব উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।