― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

পথে জীবন পথেই মরণ পথই শেষ ঠিকানা

মেহেদী হাসান জসীম
পথের বাপই বাপরে মনা, পথের মা’ই মা, পথের মাঝেই খুঁজে পাবি আপন ঠিকানা। নব্বই দশক থেকে সমান জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জেমসের এই গান যেন ছুঁতে চেয়েছিলেন পথে থাকা শিশুদের কষ্টের রংগুলো। গানটি বাজলেই চোখে ভাসে পথশিশুদের মুখচ্ছবি। পথটাকে ‘আপন ঠিকানা’ মানলেও আদতে তারা ভালো নেই। নিজেদের দুরন্ত ফড়িং ভাবলেও তাদের হৃদয়ের আঙিনা বেদনায় ভরা, ছোট্ট মনে কেবলই দুঃখের বসতি।

আমাদের চারপাশে এমন অনেক শিশু আছে, যারা দেখতে আমাদের শিশুদের মত হলেও আসলে তাদের জীবন আমাদের মত নয়। আমরা যেমন পরিবারে বড় হই, ঘরে ঘুমাই, শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে যাই, নিরাপদে থাকি, কিন্তু তারা এসব সুযোগ পায় না। বলছি আমাদের দেশের পথশিশুদের কথা।

ঋতুপরিক্রমায় এখন শীত কাল। এই শীত মৌসুম পথশিশুদের জন্য এক ভয়াবহ সময়। বিশেষ করে আমাদের দেশের রাজধানী শহর ঢাকায় অনেক পথশিশু দেখা যায়, যারা শীতের সময় ভীষণ কষ্টে দিন পাড় করে।

শুধু ঢাকা কেন; এখন বিভাগীয় শহরেও পথশিশুদের চোখে পড়ে। পথশিশুরা মানুষের কাছে ভিক্ষা চায়। কেউ না দিতে চাইলে তাদের পা জড়িয়ে ধরে। তখন তাদের ওপর বিরক্ত হয়ে কেউ কেউ মারধর করেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এই পথশিশুদের ভবিষ্যৎ কী? এদের জীবনের নিরাপত্তা কি আদৌ আছে?

পথশিশুদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে করা জড়িপে দেখা যায়, এই শিশুদের বেশিরভাগই ছেলে (৮২ শতাংশ) এবং তাদের বেশিরভাগ দারিদ্র্যের কারণে বা কাজের সন্ধানে রাস্তায় আসে। প্রায় ১৩ শতাংশ শিশু তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এবং ৬ শতাংশ শিশু এতিম অথবা তাদের বাবা-মা বেঁচে আছে কিনা তা তাদের জানা নেই।

‘দ্য কোয়ালিটি স্টাডি অন চিলড্রেন লিভিং ইন স্ট্রিট সিচুয়েশনস ইন বাংলাদেশ ২০২৪’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ৩৪ লাখ পথশিশু রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘সার্ভে অন স্ট্রিট চিলড্রেন ২০২২’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পথশিশুর প্রতি ১০ জনের আটজনই পথচারীদের দ্বারা নির্যাতন বা হয়রানির শিকার হয়।

এই যে ৩৪ লাখ পথশিশু, তাদের খাবারের কোনো নিশ্চয়তা আছে? তাদের শিক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়েছে? বাস্তবতা হলো, তাদের দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের নিশ্চয়তা যেখানে নেই, সেখানে শিক্ষা তো বিলাসিতা। কোথাও কোথাও তাদের জীবনেরও নিরাপত্তাও নেই!

রাজধানীর টিটিপাড়ায় শিশু অনিক (ছদ্ম নাম) জানায়, মা-বাবা ফেলে চলে যাওয়ায় সে সিরাজগঞ্জের নানিবাড়ি থেকে ঢাকায় চলে আসে। কমলাপুর স্টেশনে থাকতো সে। সেখানে কয়েক মাস পর এক মাদক কারবারি তাকে গাঁজা বিক্রিতে কাজে লাগায়। সেখান থেকে সেও গাঁজা সেবন শুরু করে।

এ সময় তার সাথে থাকা অন্য শিশুরা জানিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই একে অপরের সংস্পর্শে এসে মাদক সেবন শুরু করেছে। প্রায় প্রত্যেকের মাদক সেবনের আগে শুরু ধূমপান। এরপর বিভিন্ন মাদকে জড়িয়ে পড়ে।

কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চিফ কনসালট্যান্ট ও সহযোগী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি) ডা. শোয়েবুর রেজা চৌধুরী বলেন, অল্প বয়সে মাদক সেবন করলে শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। ফলে অপরাধে জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা থাকে।

ইউনিসেফের সার্ভে অন স্ট্রিট চিলড্রেন ২০২২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এই শিশুদের প্রতি তিনজনের মধ্যে প্রায় একজন (৩০ শতাংশের বেশি) জীবনের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। যেমন ঘুমানোর জন্য বিছানা এবং নিরাপত্তা ও স্বস্তির জন্য দরজা বন্ধ করে রাখা যায়, এমন একটি ঘর তাদের নেই। তারা খোলা জায়গায় রাত কাটায়। শিশুদের কাউকে কাউকে মাটিতে শুধু একটি পাটের ব্যাগ, শক্ত কাগজ, প্লাস্টিকের টুকরো কিংবা একটি পাতলা কম্বল নিয়ে ঘুমাতে হয়।

প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৭ শতাংশ শিশু সম্পূর্ণ একা ঘুমায় এবং ১৭ শতাংশ কয়েকজন মিলে ঘুমানোর মাধ্যমে সুরক্ষা ও স্বস্তি খোঁজে। শিশুদের ক্ষেত্রে সহিংসতার প্রতি তিনটি ঘটনার একটি (৩০ দশমিক ৪ শতাংশ) রাতে তাদের ঘুমের সময় ঘটে। এসব ঘটনার মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, এমনকি যৌন নিপীড়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা যথেষ্ট নয়। ৩৪ লাখ শিশুর মধ্যে কতজনকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও এনজিওগুলো নিরাপত্তা দিতে পারে? ধরলাম ৫ লাখ! বাকিদের কী হবে? পথশিশুদের নিরাপত্তার সংকট এখন গুরুতর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঠিকানাবিহীন এসব শিশুরা স্টেশনে, ফুটপাতে বা রাস্তায় রাত কাটায়। জীবিকার তাগিদে কেউ ভিক্ষা করে, কেউবা ফুল কিংবা বেলুন বিক্রি করে। আবার অনেকে ভাঙ্গারি কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। জীবিকার তাগিদে ছোটাছুটি করার পাশাপাশি অনেককে আবার বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করতেও দেখা যায়।

শীতকাল প্রকৃতির একটি অপার সৌন্দর্যময় ঋতু। ঘন কুয়াশা, শীতল হাওয়া, গরম কাপড় আর মজাদার খাবারের সঙ্গে শীত ঋতু আমাদের জীবনে এক ভিন্ন আবহ সৃষ্টি করে। কিন্তু এ ঋতুটি পথশিশুদের জন্য এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা বয়ে আনে। পথে-প্রান্তরে বেড়ে ওঠা এসব শিশু শীতকালে অসহনীয় কষ্টের মুখোমুখি হয়। গরম পোশাক, খাদ্য, আশ্রয় এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাবে তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে।

ইউনিসেফের তথ্যমতে, দেশে প্রায় ৬ লাখ পথশিশু রয়েছে, যার মধ্যে ৭৫ শতাংশ রাজধানী ঢাকায় বসবাস করে। শীতকাল এলে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠে। কারণ তারা অধিকাংশ সময় খোলা আকাশের নিচে অথবা প্লাস্টিক ও ত্রিপলের অস্থায়ী আশ্রয়ে দিন কাটায়।

শীতবস্ত্রের অভাবে অনেক শিশু ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। শীতকালে পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার পাওয়া পথশিশুদের জন্য দুরূহ হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাদের শরীর বেশি শক্তি চায়; কিন্তু তারা না পায় পর্যাপ্ত খাবার, না পায় উষ্ণতার জোগান। ফলস্বরূপ, অপুষ্টি ও দুর্বলতা তাদের শরীরকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। এ সময় ঠান্ডাজনিত রোগ যেমন নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য ফ্লু-জনিত সমস্যা বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ না থাকায় এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক পথশিশু মৃত্যুমুখে পতিত হয়। পথশিশুদের জন্য শীতকালে একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল খুবই জরুরি। কিন্তু তারা ঘুমানোর জন্য জায়গা খুঁজে পায় রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড অথবা ফুটপাতে। এগুলো তাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর ও ঠান্ডার প্রকোপে অসহ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু বাসস্থান না থাকায় সেসব ফুটপাতেই তারা কনকনে শীতের রাতে অবস্থান করে, যা খুবই ভয়াবহ ও দুঃখজনক।

কম্বল, গরম কাপড় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাদের শীতকালীন কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পারে। সরকার এবং এনজিওগুলোর উদ্যোগে অস্থায়ী শীতকালীন আশ্রয়স্থল তৈরি করা যেতে পারে। এতে তারা ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা পাবে এবং তাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলো কিছুটা হলেও কমবে। পথশিশুদের জন্য শীতকালীন স্বাস্থ্যসেবাও বিশেষভাবে নিশ্চিত করা দরকার।

সরকারি ও বেসরকারি নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও সারা দেশে পথশিশুর সংখ্যা কমছে না। সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি পথশিশুদের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে। আর মাদকাসক্ত পথশিশুরা চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সরকারি হিসাবে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ৭০ শতাংশের বেশি বলে বেসরকারি সংস্থাগুলোর দাবি। তাই সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পথশিশুদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ পরিচালিত ‘চাইল্ড সেনসিটিভ সোশ্যাল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ, ফেইজ-২’ প্রকল্পের ২০২৪ সালের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ৩৪ লাখের বেশি পথশিশু রয়েছে। অর্থনৈতিক চাপের কারণে এসব শিশুকে শ্রম দিতে বাধ্য করা হয়। তাদের শিক্ষার সুযোগ কমিয়ে দারিদ্র্যের চক্রে স্থায়ী করে রাখা হয়েছে।

এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গবেষণায় বলা হয়, দেশে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত। ১৪ শতাংশ শিশু ১০ বছর বয়সের আগেই মাদক সেবন করে। তুলনামূলক সহজলভ্য ও সস্তা হওয়ায় পথশিশুদের মধ্যে ৩১.৭ শতাংশ গাঁজা সেবন করে। ড্যান্ডি মাদকে আসক্ত ১৫.২ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া রাজধানীতেই ড্যান্ডিতে আসক্ত পথশিশুর সংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার।

এ বিষয়ে স্ট্রিট চিলড্রেন অ্যাক্টিভিস্টস নেটওয়ার্কের (স্ক্যান) সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুল বলেন, পথশিশুদের নিয়ে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। যেসব সংস্থা পথশিশুদের নিয়ে কাজ করে, বাংলাদেশে তার সংখ্যাও অনেক কম। পথশিশুদের সমাজের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে পুনর্বাসনের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি হিসাবে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ৭০ শতাংশের বেশি। মাদক গ্রহণের পাশাপাশি মাদক বিক্রিতেও তারা ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার একটি বড় অংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। ভিক্ষাবৃত্তি ও মাদকাসক্ত শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হবে। এ জন্য ১০ বছরের নিচের পথশিশুদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. লেনিন চৌধুরী পথশিশুদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিশুরা যেন পথে না আসে সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে পথে থাকা শিশুদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য প্রথমে পথশিশুদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। সংখ্যা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের সুরক্ষায় সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই মিলে তাদের পাশে দাঁড়ালে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।

এছাড়া মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং ওষুধ সরবরাহ করা যেতে পারে। এছাড়া এ সময় পথশিশুদের দুর্দশা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাও জরুরি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে পথশিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। পথশিশুদের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও নেওয়া প্রয়োজন। তাদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে শীতকালের সমস্যাগুলো সাময়িক নয়, বরং স্থায়ীভাবে লাঘব করা সম্ভব।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রাণ হারিয়েছে ১৬৮ জন পথশিশু। অথচ আহতদের সরকারি তালিকায় থাকা ১৩,৫২৯ জনের মধ্যে শিশুদের তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। গত ৩১মে জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। জুলাই-আগস্ট ২০২৪ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছে একমাত্রা সোসাইটি, গ্লোবাল ফান্ড ফর চিলড্রেনের অর্থায়নে ও লিডো-এর সহায়তায়।