― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে জাতীয় সমন্বয় সেল গঠনের প্রস্তাব

দেশের বাজারে নকল ও ভেজাল পণ্যের দৌরাত্ম্য বন্ধে সরকারি সংস্থা এবং শিল্প খাতের যৌথ ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে অভিমত দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। নকল পণ্যের উৎস শনাক্তকরণ এবং তা বাজারে প্রবেশ করা রুখতে একটি জাতীয় সমন্বয় সেল গঠনের দাবি উঠেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (ডিএনসিআরপি) সম্মেলন কক্ষে ‘নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক বিশেষ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের উদ্যোগে এবং ডিএনসিআরপির সহযোগিতায় মঙ্গলবার এই যৌথ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সেবাস্টিয়ান রেমার। এতে অধিদপ্তরের পরিচালকমণ্ডলী ও মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা অংশ নেন।

গ্রাহকের অধিকার সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “ভোক্তাদের জন্য ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা আমাদের মূল দায়িত্ব। বাজার অভিযানের সময় কর্মকর্তাদের নকল পণ্য দ্রুত চেনার কৌশল জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমেই ভেজাল প্রতিরোধ সম্ভব।”

আলোচনায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল একটি স্থায়ী ‘ন্যাশনাল অ্যান্টি-কাউন্টারফিট কোঅর্ডিনেশন সেল’ গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি বলেন, সরকারি সংস্থা ও শিল্প প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই সেল গঠিত হলে অভিযোগ ট্র্যাকিং, তদন্তের সময়সীমা নির্ধারণ ও অপরাধীদের চিহ্নিতকরণ সহজ হবে।

ডিএনসিআরপির পরিচালক সেবাস্টিয়ান রেমার বলেন, ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি নিশ্চিত করলে নকল পণ্যের বাজার বিস্তার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব। এ ছাড়া নকল প্রতিরোধে ব্র্যান্ড মালিকদেরও আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।