― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

আফ্রিকায় বাজার সম্প্রসারণ: নাইজেরিয়ায় যৌথ উদ্যোগে ওষুধ কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব

আফ্রিকার দ্রুত বর্ধনশীল চাহিদাসম্পন্ন বাজারগুলোতে বাংলাদেশের ওষুধ পৌঁছাতে নাইজেরিয়ায় যৌথ উদ্যোগে (Joint Venture) ওষুধ শিল্প স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে নাইজেরিয়ার ‘৫+৫ নীতি’ অনুসরণ করে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথভাবে ওষুধ উৎপাদনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে নাইজেরিয়ার ন্যাশনাল এজেন্সী ফর ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড কন্ট্রোলের (নাফডাক) মহাপরিচালক অধ্যাপক মোজিছোলা আদেওয়েই এই প্রস্তাব পেশ করেন। বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আলমগীর হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে যৌথ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের আগ্রহ দেখায় নাইজেরিয়া।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ-নাইজেরিয়া ওষুধ সহযোগিতা সংক্রান্ত কারিগরি মূল্যায়ন ও কৌশলগত সুপারিশ’ শীর্ষক এই বিশেষ ভার্চ্যুয়াল বৈঠকটি আয়োজিত হয়। বৈঠকে নাইজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিয়া মোঃ মাইনুল কবির এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আফ্রিকা অনুবিভাগ) এ টি এম আবদুর রউফ মন্ডল অংশ নেন।

বৈঠকের শুরুতে আফ্রিকার বাজার ও বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিনিধিরা। নাইজেরিয়ার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরণের ভ্যাকসিন সরাসরি আমদানির গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। এর জবাবে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাইজেরিয়ান প্রতিনিধি দলকে সরেজমিনে দেশের ওষুধ শিল্প পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।

বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরের মহাপরিচালক ডিজিডিএ জানান, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্যাকসিন ও বিশ্বমানের বায়োলজিক্যাল ওষুধ তৈরিতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এমনকি কিছু প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) তৈরি করছে। তবে নাইজেরিয়ার বাজারে ভ্যাকসিন রপ্তানির সম্ভাবনা পর্যালোচনায় একটি সুনির্দিষ্ট সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Feasibility Study) চালানো প্রয়োজন।

সহযোগিতা বাস্তবে রূপ দিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুটি পৃথক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর একটি হবে ডিজিডিএ এবং নাফডাকের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’। অপরটি দুই দেশের ওষুধ শিল্পের মালিক ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সমন্বয়ে ‘বহুপাক্ষিক কমিটি’। এই কমিটি দুটি বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে সমঝোতা স্মারকের খসড়া এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর ও এপিআই রপ্তানি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রস্তুত করবে।