মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা দ্রুত হ্রাস পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা। মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বৈশ্বিক কল্যাণে এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিস্তারিত জানানো হয়।
বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই সাক্ষাতে দুই বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি উঠে আসে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা দ্রুত প্রশমিত হওয়া উচিত। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি ও শান্তিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যত দ্রুত সম্ভব সংঘাতের সমাপ্তি ঘটবে।
বাংলাদেশ চায় বিশ্বজুড়ে শান্তির পরিবেশ বজায় থাকুক। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা কেবল সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের জন্যই নয়, বরং সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি বৈঠকে ঢাকা ও তেহরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে এই বৈঠক শেষ হয়। উভয়পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের কূটনৈতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।



