যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর পড়তে যাওয়ার জন্য মনোনীত নতুন ব্যাচের বাংলাদেশি স্কলারদের বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। চেভনিং এবং কমনওয়েলথ স্কলারশিপ অর্জনকারী উচ্চাভিলাষী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এই আয়োজন করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ঢাকায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রাক-যাত্রাকালীন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
মনোনীত স্কলারদের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ স্কলার্স অ্যান্ড ফেলোস এবং চেভনিং অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগটি আগামী দিনের উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশীদের জন্য নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চমৎকার সুযোগ তৈরি করে দেয়।
যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই দুটি স্বনামধন্য স্কলারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণরা সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার সুযোগ পান। একই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ভবিষ্যতের নেতা ও উদ্ভাবকদের বিশ্বজনীন নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার দুয়ার খুলে যায়।
অনুষ্ঠানে স্কলারদের অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এই শিক্ষাবৃত্তি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক যৌথ অংশীদারিত্বের এক অনন্য স্মারক। তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের এই নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানান। শিক্ষার উন্নয়ন ও নেতৃত্বের বিকাশে উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকার তুলে ধরেন তিনি।
হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাজ্যে অর্জন করা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের পর নতুন স্কলাররা নিজ দেশে ফিরে আসবে। তারা স্ব স্ব পেশা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও টেকসই প্রভাব তৈরি করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
চলতি বছর বাংলাদেশে চেভনিং স্কলারশিপের কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা। এই প্রথমবারের মতো করপোরেট অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে এইচএসবিসি (HSBC)। তারা যৌথভাবে সরাসরি একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর স্কলারশিপে অর্থায়ন করেছে।
যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বৈশ্বিক চেভনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। অন্যদিকে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কমিশনের অধীনে জোটভুক্ত দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই উচ্চশিক্ষার সুবিধা প্রদান করা হয়।



