― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

পবিপ্রবি‘র অধ্যাপক সন্তোষ কুমার বসু বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:

শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্রদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সাথে কেন তাঁকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, এর ব্যাখ্যা জানাতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।


রেজিষ্ট্রার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনি, অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু, ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লব চলাকালীন প্রক্টরের দায়িত্ব পালনের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ৫ হাজার ছাত্র হত্যার হুমকি দেন, যা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে এবং জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এছাড়া আপনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে হল থেকে বের করে দেন এবং ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের রিপোর্ট আছে বলে শিক্ষার্থীদের হুমকি দেন।’


এসব অভিযোগ উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসুকে চাকরিতে বহাল রাখা জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচিত হওয়ায় এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হলে ড. সন্তোষ কুমারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে ড. সন্তোষ কুমার বসু বলেন, আমি কর্তৃপক্ষের কাছে আমার লিখিত বক্তব্য যথাসময়ে দাখিল করবো। মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নই।


প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশনা দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এম কেরামত আলী হলে যান অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার খুব সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না, গদি ছাড়বে না। যদি আরও ৫ হাজার মানুষ মারা লাগে, তবুও সরকার চিন্তা করবে না।’ শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগে অস্বীকৃতি জানালে তিনি তাঁদের দিকে তেড়ে যান। পরে তাঁর এসব বক্তব্যের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তোপের মুখে ৪ আগস্ট তাঁকে প্রক্টর পদ থেকে অপসারণ করে তৎকালীন প্রশাসন। পরে তাঁকে রেজিস্ট্রার পদ থেকেও অপসারণ করা হয়।