ভোলার চরফ্যাশনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামায়াত ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে দুই দলের নেতারা দাবি করেছেন। হামলার বিষয়ে বিএনপি এবং জামায়াত নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন।
আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের চকবাজারে সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনায় আহতদের নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আসলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় দুপক্ষের অন্তত ১১ জনকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মীর শরিফ অভিযোগ করে বলেন, ‘সকালে নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে বিএনপির লোকজন তাকে মারধর করে। পরে নেতাকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘ওষুধ ক্রয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের লোকজন প্রথমে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জামায়াত আগামী নির্বাচনকে বানচাল করতে বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’

হাসপাতালে আহত কর্মীদের দেখতে এসে ভোলা -৪ ( চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল সাংবাদিককে বলেন, আমরা হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলা জড়িত বিএনপির কর্মীদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, ‘কোন পক্ষ এখনো অভিযোগ করেনি, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’



