নিজস্ব প্রতিবেদক:
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার কমেছে ১৪.৯৫ শতাংশ। অর্থ্যাৎ ২০২৫ সালে গড় পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ। অথচ ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ। সে তুলনায় ২০২৫ বছর পাসের হার কমেছে ১৪.৯৫ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেলা দুইটায় কোন আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ সময় শিক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, ‘কোন গোঁজামিল ও বাহুল্য এড়িয়ে এবং স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।’
কোন বোর্ডে পাশের হার কত :
২০২৫ সালের সর্বোচ্চ পাসের হার রাজশাহী বোর্ডে ৭৭.৬৩ শতাংশ আর সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৫৬.৩৮ শতাংশ।
এছাড়াও যশোর বোর্ডে ৭৩.৬৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭২.০৭ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৬৮.৫৭ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৭.৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৬৭.০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৩.৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮.২২ শতাংশ এবং মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬৮.০৯ শতাংশ ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৭৩.৬৩ শতাংশ।
কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা :
এবছর (২০২৫) মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। সে তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে ৪৩ হাজার ৯৭ জন।
কেন কমল পাশের হার :
এবছর ফলাফল তৈরি হয়েছে ‘বাস্তব মূল্যায়ন’ নীতিতে। যে শিক্ষার্থী যে পরিমাণ লিখেছেন তার ওপর ভিত্তি করেই ফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
এবছর কোন শিক্ষার্থীকে ‘সহানুভূতি ‘ নম্বর দিয়ে পাশ করানো হয়নি। যেমন, লেখা অনুযায়ী ২৮ পেলে তাকে ৫ নম্বর যোগ করে মোট ৩৩ নম্বর দিয়ে পাশ করানো হত। এটি ছিলো সহানুভূতি নম্বর।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির গণমাধ্যম জানিয়েছেন, ‘আগে (বিগত বছরগুলো) কী হয়েছে সেটি আমরা বলব না। তবে, এখন যে তথ্য (পাশের হার) দিয়েছি সেটিই প্রকৃত।
যা (পাশ করেছে) হয়েছে সেটি উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে আমাদের কোনো হাত নেই। আমাদের ওপর মহল থেকে কোনো ধরনের চাপ ছিল না। আমরাও সেভাবে পরীক্ষকদের যথার্থভাবে খাতা মূল্যায়ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি৷
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ও সি আর আবরার জানিয়েছিলেন, সবধরনের গোঁজামিল ও বাহুল্য এড়িয়ে এবং স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়েই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
টিবিএম/জ/রা



