― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ঐক্যে গুরুত্ব, বিশৃঙ্খলায় কঠোর হবে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরই মধ্যে মাঠ জরিপ শেষ করে প্রতিটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎ পর্ব শেষ করেছে দলটি। এখন শুরু হয়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দলের হাইকমান্ডের বৈঠক।

গতকাল রোববার (২৬ অক্টোবর) পাঁচ সাংগঠনিক বিভাগ চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও কুমিল্লা নিয়ে সভা হয়। সভায় বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার আরও পাঁচটি বিভাগের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

বিএনপি নেতারা বলছেন, বিএনপি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। তাদের প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। এমনকি অনেক আসনে পাঁচ-ছয়জন থেকে শুরু করে ১০-১২ জন পর্যন্ত প্রার্থী মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে ওই এলাকার বিএনপির নেতা-কর্মী, সমর্থক ও ভোটাররা যেন দ্বিধাবিভক্ত হয়ে না পড়েন সে জন্য দলের সর্বোচ্চ মহল থেকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ বৈঠক থেকে আসনকেন্দ্রিক প্রার্থীর পক্ষে ভোটের মাঠে প্রত্যেককে সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দল থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীকে বঞ্চিতদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে বলা হয়েছে। বিভেদ ভুলে ধানের শীষ নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী ফসল ঘরে নিতে সব প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে। বৈঠকে শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, দেশের প্রায় প্রতিটি আসনেই একাধিক যোগ্য প্রার্থী থাকায় কে বেশি জনপ্রিয় তা নির্ধারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে দলের শীর্ষ নেতাদের। একাধিক টিমের (জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা) মাধ্যমে জরিপের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে দলটি। প্রথমে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাংগাঠনিক সম্পাদকরা সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে বসেছেন। এরপর দলের মহাসচিব বিভিন্ন এলাকার প্রার্থীদের সঙ্গে বসছেন।

দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছে বিএনপি। তবে তাঁদের মধ্য থেকে বিগত দেড় দশকের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই-সংগ্রামে যাঁরা হামলা, মামলা, নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং ভোটারদের কাছে যাঁর গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি, এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দিতে চায় দল।

এ লক্ষ্যেই দলের বাইরে একাধিক টিম গঠন করে প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই তথ্য এবং দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনার অভিজ্ঞতার আলোকে প্রতিটি আসনে প্রাথমিক প্রার্থী চূড়ান্ত করছেন তিনি।

বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।