চীনের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে জাপান। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির ক্ষমতাসীন দলের একজন সদস্যসহ বিভিন্ন দলের আইনপ্রণেতাদের একটি প্রতিনিধি দল সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
তাইওয়ান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্তব্যের পর জাপান ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সেই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কমাতে জাপানি আইনপ্রণেতাদের এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জাপানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত প্রতিনিধি দলটি বেইজিংয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক যোগাযোগ পুনরুদ্ধার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
তাইওয়ান ইস্যুতে জাপানের অবস্থান নিয়ে চীন ক্ষুব্ধ হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা শুধু কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এর প্রভাব দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও পড়েছে।
চীনের সঙ্গে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও সরবরাহব্যবস্থায় আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
জাপান এখন চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে উত্তেজনা কমানোর সুযোগ খুঁজছে। আইনপ্রণেতাদের এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপের নতুন পথ তৈরি হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।



