যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক চাপের অংশ হলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই বলেছেন, কোনো প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’-এ যোগ দিলে তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে তেহরান এবং তাদের স্বার্থে আঘাত করা হবে।
রেজাই আরও বলেছেন, পারস্য উপসাগর থেকে তেল পরিবহনের বিকল্প সমুদ্রপথগুলোও ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে। তাঁর এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে নতুন নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা চলছে। মিসর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সময়ে ওমানের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল নিয়ে আলোচনাও চলছে।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ইরাক ও ইরান জানিয়েছে, ইরাকি তেলবাহী কিছু জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচলে সহায়তা করেছে তেহরান। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে ফ্রান্স ও সৌদি আরব বিকল্প পরিবহনপথ নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো নতুন উত্তেজনা আন্তর্জাতিক তেলবাজার ও সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার হয়েছে।



