আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে রাশিয়া। এরপর রাশিয়ার প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং–উন। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার হয়ে উত্তর কোরিয়ার ১০ হাজারের বেশি সেনা ইউক্রেনে যুদ্ধ করছেন। যুদ্ধ করতে রাশিয়াকে অস্ত্রও দিয়েছে পিয়ংইয়ং।
কেন রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক:
উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া এই দুই দেশই পরস্পরকে নানা ভাবে সহায়তা সরবরাহ করে আসছে। ক্রমেই তাদের মধ্যে সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে।
রাশিয়ার দরকার অস্ত্র আর শ্রমিক। এদিকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য মহাকাশ প্রযুক্তিতে শক্তিশালী রাশিয়ার সাহায্য প্রয়োজন উত্তর কোরিয়ার। এ ছাড়াও পারমাণবিক সাবমেরিন ও স্যাটেলাইট নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষায় রাশিয়ার কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে আরো সমৃদ্ধ হতে চায় উত্তর কোরিয়া।
এই সম্পর্ক আরও জোরদার ও স্থায়ি করার জন্য মুলত ইউক্রেনের বিপক্ষে কাজ করছে উত্তর কোরিয়া। অর্থাৎ রাশিয়া যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তাতে ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ থাকবে উত্তর কোরিয়ার।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন এর বৈঠক :
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ায় রয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় ওনসান শহরে লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং–উন।
বৈঠকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়ার জন্য সেনা ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে এবং সংঘাতের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মস্কোকে আরও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার এই নেতা।
সরকারি কর্মকর্তার বরাতে কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিম জং–উন আবারও নিশ্চিত করেছেন যে ইউক্রেন সংকট মোকাবিলায় রুশ নেতৃত্বের নেওয়া সব পদক্ষেপকে নিঃশর্ত সমর্থন জানাতে এবং উৎসাহ দিতে উত্তর কোরিয়া প্রস্তুত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া এই দুই দেশের ওপরই পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
টিবিএম/জ/রা



