― Advertisement ―

ক্লিনটনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন মনিকা

ডেস্ক রিপোর্ট:
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম রাজনৈতিক এবং যৌন কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িয়ে আছে মনিকা লিউনস্কির নাম। তখনকার জনপ্রিয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তিন দশক পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন মনিকা।

মনিকা লিউনস্কি বলেছেন, ‘তার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।

আমি মনে করি, এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সঠিক উপায় হতো বিষয়টিকে একান্ত ব্যক্তিগত বলে ঘোষণা করা এবং পদত্যাগ করা।’

সম্প্রতি অ্যালেক্স কুপারের ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে অংশ নেন বিল ক্লিনটনের সময় হোয়াইট হাউসে ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করা মনিকা। আর সেই সময়ে ক্লিনটনের সঙ্গে তার কেলেঙ্কারির বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি।

১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৯৮ সালে ক্লিনটনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে।

ক্লিনটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করা ২২ বছর বয়সী মনিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। সে সময় ক্লিনটনের বয়স ছিল ৪৯ বছর। সেই অভিযোগ নিয়েই দীর্ঘদিন পর মুখ খুলেছেন মনিকা।

মনিকা অবশ্য এর জন্য নিজেরও দায় দেখেন। নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। তবে তিনি এর জন্য বিল ক্লিনটনের ত্রুটিগুলোকে ‘অধিক নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন।

তার মতে, ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ‘যৌন নিপীড়ন’ ছিল না। কারণ এতে সম্মতি ছিল তার। তবে তিনি এটাও বলেছেন, এটি ক্লিনটনের ‘দায়িত্ব’ যে তাকে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে সেই অবস্থানে না নিয়ে আসা।

ক্লিনটন শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। ১৯৯৮ সালে গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পরও তিনি প্রথমে তা অস্বীকার করেন, তবে পরে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। লিউনস্কির পোশাকে থাকা শুক্রাণুর দাগ ক্লিনটনের ডিএনএ পরীক্ষার সঙ্গে মিলে যাওয়ার পর ক্লিনটনের বিরুদ্ধে শপথভঙ্গ (পারজুরি) এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। তিনি অভিশংসিত হন, তবে পরে আদালতে খালাস পান।