― Advertisement ―

এবার ঢামেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

বরিশাল মেইল ডেস্কঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) একাডেমিক কাউন্সিলে এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ক্যাম্পাস ও হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ তদন্ত...

বিগত সরকারের ব্যর্থতায় বেড়েছে হাম; মুন্সিগঞ্জে ৩ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

বাংলাদেশে হামের (Measles) বর্তমান সংক্রমণের জন্য বিগত দুটি সরকারের প্রশাসনিক ও কৌশলগত ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর শিশুদের জন্য হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ২০২০ সালের পর তা আর পরিচালিত হয়নি। বিগত সরকারগুলোর এই উদাসীনতার ফলে দেশের একটি বিশাল অংশের শিশু প্রয়োজনীয় টিকার আওতার বাইরে থেকে গেছে, যার সরাসরি ফলাফল হিসেবে বর্তমানে দেশজুড়ে হামের প্রকোপ বেড়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতির ভয়াবহতা মোকাবিলায় বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে দেশব্যাপী পূর্ণাঙ্গ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। গত ২০ তারিখ থেকে সারা দেশে এই কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৩০টি উপজেলায় শুরু হলেও এখন তা জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), গ্যাবি (Gavi) এবং ইউনিসেফের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে গ্যাবি দুই মিলিয়নেরও বেশি টিকা দিয়ে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে, যা টিকাদানের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার ওপর কঠোর অবস্থান নেন। মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকার অভাব রয়েছে বলে গণমাধ্যমে ‘ভুল তথ্য’ প্রদানের অভিযোগে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আহাম্মদ কবীরকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন তিনি। একই সাথে দায়িত্বে অবহেলা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে জেলা সিভিল সার্জন কামরুল জমাদ্দার এবং স্টেনোটাইপিস্ট মো. মিজানুর রহমানকেও প্রত্যাহার করা হয়। মন্ত্রীর এই ঝটিকা সফর এবং তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক অ্যাকশন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এর আগে মন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের অসত্য তথ্য প্রদান বা গাফিলতি সহ্য করা হবে না। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতকে বৈষম্যমুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত করার যে অঙ্গীকার সরকার করেছে, তার অংশ হিসেবেই এই পরিদর্শন ও শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে। মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।