― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে: বাড্ডার জনসভায় জামায়াত আমির

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনের প্রধান সমস্যা হিসেবে ‘ভূমিদস্যুতা’কে চিহ্নিত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। রোববার মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩০ বছর ধরে এই এলাকায় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলগুলো কেবল জমি দখল আর ভাগ-বাঁটোয়ারার রাজনীতি করেছে। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে এই আসনের ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে। ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত এই প্রার্থীর জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে মামুনুল হক উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান যে, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকার শত শত মানুষের ভিটেমাটি এবং সরকারি জলাশয় দখল করে সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করা হয়েছে। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল চেহারার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির সংস্কৃতি রয়ে গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে তিনি এই অপশক্তিদের পরাজিত করার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ঢাকা-১১ আসনকে সন্ত্রাস ও ঋণখেলাপিমুক্ত করে একটি আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্পন্ন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এলাকার সন্তান হিসেবে নিজের স্মৃতির কথা তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাড্ডা-রামপুরা এলাকায় তাঁর শৈশব কাটলেও রাজধানী ঢাকার এত কাছে হয়েও এলাকাটি চরম অবহেলিত। এখানকার জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নাজুক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষ অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল হলেও এখানে কোনো সরকারি হাসপাতাল বা উচ্চবিদ্যালয় নেই। রামপুরা ও শাহজাদপুর খাল দখলের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকা ডুবে যায়। তিনি এই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে নাগরিকদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি ১১-দলীয় জোটের দেশব্যাপী জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিএনপির নাম উল্লেখ না করে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী দেশকে পুনরায় বিপদগ্রস্ত করার ছক কষছে। সেই আধিপত্যবাদী পরিকল্পনা রুখে দিতে এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে তিনি ভোটারদের কাছে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। তাঁর দাবি, এই নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি বাছাই নয়, বরং এলাকাকে দখলদারমুক্ত করার লড়াই।