ডেস্ক রিপোর্টঃ ইসরায়েল সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে যেখানে ফিলিস্তিন, জর্দান, সিরিয়া এবং লেবাননের বেশ কিছু অংশকে কথিত ‘বৃহত্তর ইসরায়েলের’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় জর্দান সরকার ও ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই মানচিত্রে দেখা গেছে, ইসরায়েলের দাবিকৃত নতুন সীমানায় উল্লেখিত আরব দেশগুলোর ভূখণ্ডকে একত্রিত করা হয়েছে। রামাল্লাহ-ভিত্তিক ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র নাবিল আবু-রুদেইনে এই মানচিত্রকে আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “ইসরায়েলের দখলদারিত্বের নীতি এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের মতো কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে এখনই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
আবু-রুদেইনে আরও বলেন, ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ পশ্চিম এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ইসরায়েলের এমন কার্যকলাপকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করে।
জর্দানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই মানচিত্রকে “উস্কানিমূলক ও ভিত্তিহীন” আখ্যা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এই মানচিত্র কেবল জর্দানের সার্বভৌমত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা নয়, বরং এটি ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকারেও হস্তক্ষেপ।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা আরও বাড়াবে। এটি অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য ইসরায়েল সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াবে এবং আরব দেশগুলোর সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বশীল ভূমিকা এ মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।
বিএম/সজীব



