বরিশাল মেইল ডেস্ক:
ভোলায় পূজামণ্ডপের গেট ভাঙচুর করার সময় শিমুল চন্দ্র (৩৫) নামের এক হিন্দু যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। শিমুল সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুচন্দ্র দের ছেলে।
বুধবার ভোলা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবহাওয়া অফিসসংলগ্ন শ্রীশ্রী দুর্গা মাতার মন্দিরের প্রবেশ গেট ভাঙচুর ও আলোকসজ্জায় ইট নিক্ষেপ করেন শিমুল।
এএসআই মানিক ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবককে আটক করেন। হামলাকারীকে হাতেনাতে আটক করায় মানিককে পুরস্কৃত করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক।
অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ ও মুক্তির দাবি জানিয়ে ওই যুবকের পরিবার বলে, অভিযুক্ত শিমুল চন্দ্র দীর্ঘদিন মানসিক ভারসাম্যহীন। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় পরিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে পরিবারের কাছে মানসিক ভারসাম্যহীনের প্রমাণাদি চেয়ে কোনো ধরনের প্রমাণ পায়নি পুলিশ।
ভোলার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান পাটওয়ারী জানান, আটক যুবককে পূজামণ্ডপ থেকে ২০০ গজ দূরত্বের মূল গেট ভাঙচুর ও আলোকসজ্জায় ইট নিক্ষেপের সময় হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সেখানকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক জানান, বুধবার পূজামণ্ডপে কোনো স্বেচ্ছাসেবী ও দায়িত্বশীলরা না থাকায় পুলিশ কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করে। শ্রীশ্রী দুর্গা মাতার মন্দিরের গেট ভাঙচুরের সময় ওই হামলাকারীকে আটক কর হয়। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিটি মণ্ডপ কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছে পুলিশ। যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে।



