― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

হিজলায় শহীদ মিনারে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালের হিজলা উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেয়া কে কেন্দ্র করে শহীদ মিনারের উপরেই স্থানীয় বিএনপির ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

ভাষা শহীদদের স্মরণে একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে হিজলা উপজেলা প্রশাসন, থানা,নৌ পুলিশ, আনসার, সরকারি ডিগ্রি কলেজ ও ফায়ার সার্ভিস এর পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে উপজেলা বিএনপিকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্যে অনুরোধ করেন উপস্থাপক।


এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনির দেওয়ান ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খোকন দফতরি সহ তার অনুসারীরা শহীদ মিনারে উঠে ফুল দিতে চাইলে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গাফফার তালুকদারও তার অনুসারীদের নিয়ে শহিদ মিনারে উঠে পরেন।

গাফফার তালুকদার অনুসারী যুবদল নেতা বশির আহবায়ক এর আগে সদস্য সচিব ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কেনো ফুল দিবে তা নিয়ে প্রতিবাদ করলে মনির ও খোকন সমর্থক হিজলা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মহসিন সিকদার ও যুবদলের সদস্য সচিব আমির হোসেন বাঘা সহ তার অনুসারীরা শহীদ মিনারের উপরেই বশির সহ গাফফার তালুকদার অনুসারীদের প্রতি চড়াও হন।

এরপর উভয়ের মধ্যে শুরু হয় এলোপাতাড়ি চড় থাপ্পড়, লাথি, ঘুষি। এতে লাঞ্ছিত হন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক গাফফার তালুকদার সহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

গাফফার তালুকদার লাঞ্ছিত হওয়ায় তার অনুসারী হিজলা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সজল খান সহ তালুকদার অনুসারীরাও জড়িয়ে পরেন সংঘর্ষে।

এসময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন গাফফার তালুকদারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

পরে হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ এর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কিছুক্ষণ পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন এর মধ্যস্থতায় নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসেই মিমাংসা হয় বিষয়টি।

পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র এই ৩ নেতা একই সাথে শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

বিএম/জ/রা