চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাশনে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে জামায়েত নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুনী। গত পাঁচ দিন যাবত উপজেলার শশীভূষন থানার এওয়াজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ্ মানসুর এর বসত ঘরের দরজার সামনে অবস্থান করছেন রোজিনা নামের ওই তরুনী।
উপজেলার মুজিবনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম মুন্সির মেয়ে রোজিনা সাইফুল্লাহ’র বাড়িতে অবস্থান নিলে বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। এদিকে সাইফুল্লাহ’র বাড়িতে তরুনীর অবস্থানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা বাড়ির সামনে ভীর করেন।
রোজিনা বেগম জানান, সাইফুল্লাহ মানসুর তার দুঃসম্পর্কের ফুফাতো ভাই হওযার সুবাদে গত ৩ বছর আগে মুজিবনগর ইউনিয়নে রুজিনার বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রেমের প্রস্তাব করেন। পরে মুঠোফোনে কথা বলার সুবাদে দু’জনের মধ্যো প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সূত্র ধরে পরিবারের অজান্তে পালিয়ে বিয়ে করেন দু’জন। বিয়ে করে ঢাকায় নিয়ে ভুয়া কাবিন দেখিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন সংসার করেন তারা। পরে রুজিনাকে ভাড়া বাসায রেখে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন সাইফুল্লাহ।
তরণীর দাবি, এসময় থাকা খাওয়ার জন্য বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতেন সাইফুল্লাহ্।

গতকাল বিকালে সাইফুল্লাহর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ঘর তালাবদ্ধ। ঘরের বাইরে সিঁড়িতে বসে আছেন তরুণী।
এসময় তিনি বলেন বলেন, আমাকে বিয়ে করে দীর্ঘদিন সংসার করেছে। এখন তার মা-বাবা আমাকে মেনে না নেওয়ায় তিনিও আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করছেন। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনও উপায় নাই।
ঘটনার পর থেকে গা-ঢাকা দেওয়া জামায়েত নেতা সাইফুল্লাহ মানসুরের মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
২২৩এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমীর মীর শরিফ জানান, ‘তারা পরস্পর আত্মীয়-স্বজন। ঘটনাটি ষড়যন্ত্র হতে পারে। আমরা বিষযটি খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই দল থেকে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’



