বাণিজ্য ডেস্ক: শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ের শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালসহ সারা দেশে মোট ১৪টি শ্রম আদালত করে সরকার। এসব আদালতের অধীনে এখনো সব মিলিয়ে বিচারাধীন বা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে ২০ হাজারের বেশি মামলা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শ্রম আদালত জানা গেছে,শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা আছে ১ হাজার ৪৪টি। ঢাকায় রয়েছে তিনটি আদালত। এরমধ্যে প্রথম আদালতে মামলা আছে ৪ হাজার ৩৬৫টি। তিন আদালতে মোট মামলা ৮ হাজার ৫১৫টি। এককভাবে শ্রম আদালত, গাজীপুরের মামলা সবচেয়ে বেশি ৬ হাজার ৭৭টি। সবচেয়ে কম ৫৬টি মামলা রয়েছে শ্রম আদালত, সিলেটে।
শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি এস এম ফারুক এক প্রবন্ধে শ্রম আদালতের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার সাতটি কারণ চিহ্নিত করেছেন। প্রবন্ধটি তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন।
কারণগুলো হচ্ছে শ্রম আইনের জটিলতা, শ্রম আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিলের সুযোগ না থাকা, শ্রম আদালতের বিচারকদের বদলি, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সময়মতো উপস্থিত না হওয়া, সহায়ক কর্মচারীদের অদক্ষতা, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের একচ্ছত্র ক্ষমতার অভাব এবং শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের জায়গার সংকট।
শ্রমসচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, শ্রম আদালতের মাধ্যমে বিদ্যমান শ্রমিক স্বার্থ পুরোপুরি সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। এ কারণে শ্রম আদালতকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় ও হাইকোর্ট বিভাগের সম্মতিতেই নতুন উদ্যোগ কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি।


