― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী ‘সানকো গ্রুপ’। একটি আধুনিক সমন্বিত বস্ত্র উৎপাদন কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে এই বিশাল অংকের বৈশ্বিক বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সানকো গ্রুপের প্রতিনিধি দল এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা ব্যক্ত করে।

বৈঠকে তুর্কি প্রতিনিধি দল জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক ও বস্ত্রের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে তুরস্ক থেকে পণ্য সরবরাহের পরিবর্তে বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করতে চায় তারা। প্রস্তাবিত এই কারখানায় বিশ্বমানের কাপড় তৈরি, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উচ্চমূল্যের তৈরি পোশাক সামগ্রী উৎপাদিত হবে, যা মূলত বৈশ্বিক রপ্তানি বাজারে সরবরাহ করা হবে। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি, শক্তিশালী রপ্তানি সক্ষমতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশই তাদের এখানে মূল উদ্বুদ্ধকারী উপাদান হিসেবে কাজ করেছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিল্পখাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির স্থানান্তর ঘটবে এবং স্থানীয় বস্ত্রশিল্পের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিক জমি নির্বাচন এবং স্থানীয় সহযোগীদের সাথে প্রাথমিক আলোচনা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে কারখানা নির্মাণ শেষ করে দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কারখানাটি পরিচালনায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ ও দ্রুত অবকাঠামোগত অনুমোদনের জন্য সরকারের সহায়তা চেয়েছে দলটি।

বিনিয়োগ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি জানান, বৃহৎ বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে আধুনিক অবকাঠামো তৈরি ও প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা প্রদানে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। বিশ্বমানের প্রযুক্তি গ্রহণ, বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বস্ত্রখাতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বি এস এস প্রতিবেদন