― Advertisement ―

নেপালে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হতে পারেন সাবেক প্রধান বিচারপতি কার্কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নেপালে তরুণদের বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় শূন্যতা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন নেতা নির্বাচিত হতে পারেন।

কারণ ‘জেন জি’ বিক্ষোভকারীদের প্রথম পছন্দ তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেন জি’র একজন প্রতিনিধির বরাত দিয়ে কাঠমাণ্ডু থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর প্রকাশ করেছে।

একজন সামরিক মুখপাত্র বলেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগডেল বুধবার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন এবং জেন জি প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। তবে তিনি আন্দোলনের এই সংগঠনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

মঙ্গলবারের সহিংসতায় গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হন এবং সংসদ ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতি সেনাবাহিনী ৩ কোটি মানুষের হিমালয়ের এই দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাইছে।

বৈঠকে উপস্থিত থাকা রক্ষা বাম বলেন ‘এ মুহূর্তে সুশীলা কার্কির নামই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে আসার জন্য আলোচনায় আছে। আমরা এখন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

তিনি এএফপিকে জানান, আমরা সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছি। আলোচনাটি ছিল কীভাবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারি— তা নিয়ে।

সুশীলা কার্কি ৭৩ বছর বয়সী নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম এবং প্রধান নারী বিচারপতি। এ বিষয়ে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘সংসদ এখনও বহাল আছে। এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করার জন্য বিশেষজ্ঞদের একত্রিত হওয়া দরকার।

তবে আন্দোলনকারীদের এই পছন্দ যে সর্বসম্মত নয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন অন্যরা। পরস্পরবিরোধী যুক্তি ও বেশ কয়েকটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

নেপালের সিনিয়র সাংবাদিক প্রণয় রানা বলেন, এখানে বিভাজন আছে। এমন বিকেন্দ্রীভূত আন্দোলনে প্রতিদ্বন্দ্বী স্বার্থ ও ভিন্নমত থাকাই স্বাভাবিক।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো সেনা সদস্যদের রাজধানী কাঠমান্ডুর রাস্তায় টহল দিতে দেখা যায়। শহর শান্ত থাকলেও বিভিন্ন স্থানে এখনো একাধিক সেনা চৌকি বসানো আছে।