― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

দেশীয় গ্যাস কমছে ১০০ এমএমসিএফ হারে; হুমকির মুখে শিল্প ও কর্মসংস্থান

দেশের শিল্প খাতের একসময়ের প্রধান চালিকাশক্তি ‘সস্তা গ্যাস ও সস্তা শ্রম’-এর দিন শেষ হয়ে এসেছে। দেশীয় গ্যাস উত্তোলন প্রতি বছর গড়ে ১০০ এমএমসিএফ হারে হ্রাস পাওয়ায় শিল্পোৎপাদন ও কর্মসংস্থান বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে শিল্প খাতকে টিকিয়ে রাখতে গতানুগতিক চিন্তার বাইরে এসে আমদানিনির্ভর এলএনজি, সৌরশক্তি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি টেকসই কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (৯ মে ২০২৬) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত ‘শিল্প খাতে জ্বালানি সংকট: উত্তরণের পথ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তায় এখন বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ল্যান্ড-বেজড এফএসআরইউ এবং শিল্পে আধুনিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।

আলোচনায় উঠে আসে যে, জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) একটি শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, সরকার ও শিল্প মালিকরা যদি কারিগরি ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা নিয়ে একযোগে কাজ করে, তবেই ক্রমবর্ধমান এই জ্বালানি সংকটের সমাধান সম্ভব। কেবল আমদানির ওপর নির্ভর না করে অভ্যন্তরীণ সাশ্রয়ী কৌশলের দিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে শিল্প খাত আর আগের মতো জ্বালানি সুবিধা পাচ্ছে না। তবে নেতিবাচক চিন্তা না করে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি সরকারকে সুনির্দিষ্ট কারিগরি প্রস্তাব প্রদানের ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ, বিআইপিপিএ এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে সম্মিলিত রোডম্যাপ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।