― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

মহাসড়কের ৫ পয়েন্টে নাশকতার পরিকল্পনা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা পরিকল্পনা করছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপিরা। তারা বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু কাজে লাগিয়ে অনুসারীদের একযোগে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।

গোয়েন্দারা এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, দেশের রাজধানীর সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নাশকতার টার্গেট হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাঁচটি পয়েন্ট বেছে নেওয়া হয়েছে।
ভয়ংকর এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে গাজীপুরে। সেখানে লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে পুরো শিল্পাঞ্চল এলাকায় পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে গোপন তৎপরতা চলছে। পাশাপাশি ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশমুখ নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

এছাড়া স্পর্শকাতর স্থান হিসাবে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু সড়ক বেছে নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হিসাবে বিবেচনা করে। নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা দখলে নিতে পারলে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ বন্ধ করা সম্ভব। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ছিল নারায়ণগঞ্জ।

গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে-শ্রমিক ছাঁটাই, বকেয়া বেতন-বোনাস ও গুজব সহ নানা অজুহাতে মাঝেমধ্যেই গাজীপুরের মহাসড়ক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসব ইস্যু কাজে লাগিয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ‘উত্তপ্ত আগুনে ঘি’ ঢালতে পারেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশনস) রেজাউল করিম গণমাধ্যমে বলেন, ‘একটি গোষ্ঠী নানাভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে অপচেষ্টা করছে। কিন্তু সেটা হতে দেওয়া হবে না। বিভিন্ন ফাঁকফোকরে, এমনকি রাতের অন্ধকারেও ঝটিকা মিছিল বের করে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু পুলিশের তৎপরতার মুখে তারা দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছেন। তারপরও অনেককেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গাজীপুরে লক্ষাধিক লোক জড়ো করার পরিকল্পনার খবর পেয়েছি আমরা। কোনো অবস্থায়ই সেটা করতে দেওয়া হবে না। গাজীপুরের এসপি ও মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারকে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘এছাড়াও নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইলসহ যেসব পয়েন্টকে তারা টার্গেট করেছেন, সেসব এলাকায় পুলিশের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। তারা কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করতে পারবে না।’

সূত্র: যুগান্তর