― Advertisement ―

মরক্কোর রাবাতে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উদযাপিত

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গভীর ভাবগাম্ভীর্য ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। বুধবার (০৫ আগস্ট) চ্যান্সেরি প্রাঙ্গণে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে দিনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে মরক্কোয় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফায়জুন্নেসা মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন। পরবর্তীতে দূতাবাসের কাউন্সেলর রাজীব ত্রিপুরা পাঠ করেন মাননীয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রতিনিধির বাণী।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর দুটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রে জুলাই-আগস্টের রাজপথের আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্মৃতি তুলে ধরা হয়।

বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফায়জুন্নেসা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী তরুণ সমাজ ও ছাত্র-জনতার অসামান্য অবদান স্মরণ করে তিনি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির ওপর ভিত্তি করে বর্তমান সরকার ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রবাসীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে মরক্কোয় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক, বিদেশি অতিথি, স্থানীয় মরক্কোবাসী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।