এশিয়ার পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে অনন্য অবদান, বাণিজ্যিক সাফল্য এবং উদ্ভাবনী নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘এশিয়ার মোস্ট এমিনেন্ট জেনারেল ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন অশ্বনী নায়্যার। তিনি আইএইচজি সাউথ ওয়েস্ট এশিয়ার এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার এবং ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা এয়ারপোর্টের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আন্তর্জাতিক সংস্থা সিএমও এশিয়া এবং ওয়ার্ল্ড ফোরাম অব হসপিটালিটির যৌথ উদ্যোগে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। গত ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলে আয়োজিত ১৭তম ওয়ার্ল্ড হসপিটালিটি লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে অশ্বনী নায়্যারের হাতে এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। আতিথেয়তা খাতের শীর্ষ পেশাদার, করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও বৈশ্বিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জমকালো এক আয়োজনে এই পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়।

অশ্বনী নায়্যারের দিকনির্দেশনায় ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা এয়ারপোর্ট বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের অতিথি সেবা নিশ্চিতের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধিতে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য ধরে রেখেছে। দলগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও সেবার মান আধুনিকায়নে তার গৃহীত পদক্ষেপে ঢাকার এভিয়েশন ও হসপিটালিটি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
স্বীকৃতি পাওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে অশ্বনী নায়্যার বলেন, সিএমও এশিয়া ও ওয়ার্ল্ড ফোরাম অব হসপিটালিটির কাছ থেকে এই সম্মাননা পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তিনি জানান, এই অর্জন মূলত পুরো টিমের নিষ্ঠা, ভালোবাসা এবং সমন্বিত পরিশ্রমের ফল। তার মতে, আতিথেয়তার আসল কাজই হলো মানুষের মাঝে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করা, আর এই দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেওয়ার মতো একটি দক্ষ টিম সাথে থাকা তার বড় ভাগ্য।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছাড়াও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ওরাকল, লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, ডেলয়েট এবং সিটিব্যাংকের মতো শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে বক্তৃতাকালে অশ্বনী নায়্যার বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা আধুনিক ইকোসিস্টেম নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ঘিরে হোটেল, কনভেনশন সেন্টার, রিটেইল এবং বাণিজ্যিক পরিসরের সমন্বয়ে যে পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স গড়ে উঠছে, তা দেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। ক্রাউন প্লাজা এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল এয়ারপোর্ট প্রজেক্ট এই রূপান্তরের প্রধান অংশীদার হয়ে উঠ উদীয়মান বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো তৈরি করছে।



