― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ঢাকা-রিয়াদ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গতি বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের সফর ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপর জোর

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও পারস্পরিক সহযোগিতার ধারাবাহিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে উভয় পক্ষ। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান ইতিবাচক ধারাকে আরও বেগবান করা এবং এটিকে যৌথ সম্ভাবনার নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বিনিময় ও নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক কূটনীতির তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হলে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের এই আলোচনার তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বৈঠককালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যৌথ অংশীদারিত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ সম্প্রতি গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। একই সাথে তিনি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রস্তাবনাসমূহে রিয়াদের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনরুল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী এই দেশটির সাথে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে আসছে বাংলাদেশ। উভয় দেশের শীর্ষ কূটনৈতিক পর্যালোচনায় উঠে আসা প্রস্তাবসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সামনে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক কাঠামোর নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক কর্মকর্তারা।