নিজস্ব প্রতিবেদক
অপার সম্ভাবনাময় হলেও দেশে বছরের পর বছর ধরে নিজস্ব উদ্যোগে বেড়ে ওঠা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাত এখনো বড় পরিসরে অবহেলিত রয়ে গেছে। যদিও চলমান গ্যাস সংকটের সময়ে এটি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) এক নীতিগত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, এলপিজিই একমাত্র জ্বালানি পণ্য, যা কোনো ভর্তুকি ছাড়াই বেড়েছে, এবং এর দাম ও সহজলভ্যতার দিক থেকে এটি অন্যান্য জ্বালানির তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিম বলেন, “এর সাশ্রয়ী ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে দহন, সহজ পরিবহনব্যবস্থা এবং সরবরাহের নিরাপত্তার কারণে গত দুই বছরে শিল্পখাতে এর ব্যবহার প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।”
গতকাল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফওজুল কাবির খান বলেন, “এলপিজির অন্যতম সুবিধা হলো এটি তুলনামূলকভাবে সহজে আমদানি করা যায় এবং লাইটারেজের মাধ্যমে পরিবহনও সুবিধাজনক।”



