ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন রমজান মাসে বাজারে যেন কোনো ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রতি জেলায় ডিসিদের নেতৃত্বে থাকা বাজার মনিটরিং সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের অভিযান জোরদার করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে অসাধু চক্র এবং অবৈধ মজুতদারদের ধরতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অধীনে থাকা সব মনিটরিং টিমকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
এ রকম একটি নির্দেশনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদের বরাবরে পাঠিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
এতে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কয়েক দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার পাঠানো ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে- অবৈধ মজুতদার ঠেকাতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান জোরদার করতে হবে।
এ পরিস্থিতিতে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে কয়েকটি নিত্যপণ্যের শুল্ক-কর কমানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে চাল, ডিম, সয়াবিন তেল, পাম তেল, চিনি, পিঁয়াজ, আলু ও খেজুর।
অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে।
এলক্ষ্যে প্রতি জেলায় ১০ সদস্যবিশিষ্ট টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
এদিকে পণ্য আমদানির ট্যারিফ হ্রাস, ঋণের সুদ বাড়ানোসহ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়ার পরও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুফল মিলছে না।
গড় মূল্যস্ফীতি এখনো ১০ শতাংশের ওপরেই রয়েছে। এই কমিটির কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স নিয়মিত বিভিন্ন বাজার, আড়ত, গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ ও সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যান্য স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এবং পণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার বিষয়টি তদারকি করবে।
টাস্কফোর্স উৎপাদন, পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ে যাতে দামের পার্থক্য ন্যূনতম থাকে তা নিশ্চিত করবে এবং অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবে।
টাস্কফোর্স প্রতিদিনের মনিটরিং শেষে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেলে নির্ধারিত নম্বর ও ই-মেইলে এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পাঠাবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন সংকলন ও পর্যালোচনা করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠাবে।
টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য সংখ্যা বাড়াতে পারবে।
বিএম/জ/রা



