― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বিএনপির দিকে হেফাজত, জামায়াতে অন্য ইসলামী দলগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জোটবদ্ধ হতে রাজনৈতিক দলগুলোর তোরজোর চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

অপরদিকে ইসলামী অন্যান্য দলগুলো জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটবদ্ধ হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দাবিতে কওমি মাদ্রাসা ধারার রাজনৈতিক দলগুলো যুগপৎ আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এলেও হেফাজতে ইসলাম রয়েছে বিএনপির দিকে। জামায়াতের সঙ্গে আসা দলগুলোর নেতারা হেফাজতের নেতৃত্বেও আছেন।

কিন্তু দেওবন্দি ধারার সংগঠন হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব জামায়াতের সমালোচনায় মুখর, বিএনপির সঙ্গে তাদের দৃশ্যমান সুসম্পর্ক রয়েছে। নিবন্ধিত এবং হেফাজত-সংশ্লিষ্ট দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম রয়েছে বিএনপির সঙ্গে।

যুগপৎ আন্দোলনে আসা দলগুলোর নেতারা বলেছেন, জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী আদর্শের বিরোধিতার কারণে হেফাজতের ‘মুরব্বিরা’ জামায়াত-বিরোধী। এ কারণে তারা বিএনপির সঙ্গে থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীর চিন্তা-ভাবনা ভিন্ন।

এ বিষয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, জামায়াত কওমি আলেমদের সম্মান করেছে সবসময়। হেফাজত আমির যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তা ভিত্তিহীন। তারপরও তাঁকে অসম্মান করে না জামায়াত। ইসলাম এবং দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াত শুধু কওমিপন্থি নয়, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী যে কোনো দলকে স্বাগত জানায়।

বাংলাদেশ খেলাফতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন (হেফাজতেরও নেতা) বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে জোট হচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন করা হচ্ছে। যেসব দল নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায়, তারা একসঙ্গে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি যদি জুলাই সনদের অধীনে নির্বাচনের দাবি করত, তাহলে তাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে যেত বাংলাদেশ খেলাফত। জামায়াতসহ যুগপৎ আন্দোলনে যারা রয়েছে, তাদের মধ্যে ভবিষ্যতে নির্বাচনী সমঝোতা হতে পারে, নাও হতে পারে।