বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম দাপ্তরিক কাজ শুরু করার পূর্ব মুহূর্তে তাঁর কন্যা জাইমা রহমানের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এখন নেটিজেনদের হৃদয়ে নাড়া দিচ্ছে। জাইমা অত্যন্ত সহজ অথচ গভীর ভাষায় বাবার প্রতি তাঁর আজন্ম শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, শৈশব থেকেই আমরা বিশ্বাস করি আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী; জাইমার কাছেও তাঁর বাবা হলেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আদর্শ এবং পরম নির্ভরতার আধার।
বাবার ব্যক্তিগত গুণের কথা বলতে গিয়ে জাইমা রহমান উল্লেখ করেন, তাঁর দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষটি হলেন তাঁর ‘আব্বু’। একজন দায়িত্বশীল কন্যার দৃষ্টিতে তারেক রহমান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং এমন একজন ব্যক্তিত্ব যার ওপর যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে নিশ্চিন্তে ভরসা করা যায়। জাইমা মনে করেন, বাবার এই চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং কাজের প্রতি একনিষ্ঠতাই তাঁকে আজকের এই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে এসেছে। রাজনীতির কঠিন লড়াইয়ে তাঁর বাবার যে অবিচল পথচলা, তার পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে দেশের মানুষের প্রতি তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
[Image showing a warm, nostalgic family photograph of Tarique Rahman and a young Zaima Rahman]
জাইমা তাঁর পোস্টে গভীর আত্মবিশ্বাসের সাথে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ অবশেষে তাঁর বাবার সত্যিকারের দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের গুণাবলিগুলো দেখার সুযোগ পাবে। দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষার পর দেশের মানুষ যখন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তখন জাইমার এই বক্তব্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের ভেতরে থাকা অনন্য মানবিক গুণাবলি ও দেশের প্রতি মমত্ববোধই তাঁকে জনগণের একজন সত্যিকারের ‘জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। তাঁর এই প্রত্যাশা কেবল একজন কন্যার নয়, বরং এটি যেন লক্ষ-কোটি তরুণের স্বপ্নের প্রতিধ্বনি।
পোস্টের শেষে জাইমা ‘ইনশাআল্লাহ’ লিখে সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রেখেছেন। বর্তমানে যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান রাষ্ট্রের গুরুভার গ্রহণ করেছেন, তখন তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আসা এই সংহতি ও দোয়া দেশবাসীর মাঝে এক ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। জাইমার এই আবেগঘন পোস্টটি এটিই মনে করিয়ে দেয় যে, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে কঠিন ও কঠোর হলেও একজন পিতার কোমল হৃদয়ে থাকে তাঁর পরিবারের অনুপ্রেরণা। কন্যার এই অকুণ্ঠ সমর্থন নিশ্চিতভাবেই প্রধানমন্ত্রীর আগামীর পথচলাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।



