বিশেষ প্রতিনিধি বরিশালে মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অপরিচ্ছন্ন ও ময়লা-আবর্জনাপূর্ণ বাসাগুলোকে নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে ১০ ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে, যা সাতদিনব্যাপী চলবে। বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন না রাখলে জরিমানাও করা হবে বলে বিসিসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৫৮ বর্গমাইল জুড়ে ছয় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। গত এক মাস ধরে নগরীতে মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। পরিছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরিশালের মধ্য দিয়ে ২২টি খাল প্রবাহিত হলেও এগুলো এখন নর্দমায় পরিণত হয়েছে, যা মশার বিস্তারের অন্যতম কারণ। ঝোপঝাড় ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও মশার প্রজননে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানান, প্রতিদিন ২৮টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে ২৮০ লিটার এডাল্ট সাইট মশার ওষুধ এবং চারটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। তবে আবহাওয়াগত কারণে মশার প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
বিসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মনজুরুল হক শুভ্র জানান, মশার উপদ্রব কমাতে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুটি ওয়ার্ডে মশা নিধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ওয়ার্ডেও চালু করা হবে। এ পর্যন্ত ১০ জন বাড়ির মালিককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, বরিশালের প্রবীণ নাগরিক মানবেন্দ্র বটব্যাল বলেন, “মশার কারণে কোথাও বসা যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে, অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি
বিএম/জ/রা



