― Advertisement ―

কোটাবিরোধী আন্দোলন: সড়ক অবরোধ করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৯...

তিনদফা দাবি নিয়ে অনশনে বসছেন ববি শিক্ষার্থীরা

ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা অবকাঠামো উন্নয়ন, জমি অধিগ্রহণ এবং পরিবহন সংকট নিরসনের তিন দফা দাবি নিয়ে এবার গণ অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩৭ দিন আন্দোলন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

জানা যায়, গত ২৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি নিয়ে এই আন্দোলন শুরু করেন এবং পরদিন ২৯ জুলাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো:
প্রথমত, দ্রুত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আয়তন বৃদ্ধি করা। তৃতীয়ত, সকল শিক্ষার্থীর জন্য শতভাগ পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করা।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা এই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করেন এবং ক্যাম্পাসের তিন নম্বর গেইটের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এরপর আজ রাত ৯টা থেকে অনশনে বসার এই সিদ্ধান্ত নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, আবাসন সংকট, পরিবহন সংকট এবং শ্রেণীকক্ষ সংকটের মতো মৌলিক সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা তাদের আন্দোলনকে দীর্ঘায়িত করছে। কিছু সময় সড়ক অবরোধের পর জনদুর্ভোগ এড়াতে তারা গণ অনশনের ডাক দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী অমিও মণ্ডল বলেন, “আমরা অনেক দিন ধরে আন্দোলন করছি। সরকার যেন আমাদের এই মৌলিক অধিকারগুলো পূরণ করে। কিন্তু সরকার পক্ষ থেকে আমাদের সাথে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—যাতে জনদুর্ভোগ না হয় সে জন্য সড়ক অবরোধ বাদ দিয়ে আমরা গণ অনশনে যাব।”

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শর্মিলা জামান সেজুতি বলেন, “আমরা দীর্ঘ ৩৭ দিন আন্দোলন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন সাড়া পাইনি। ইউজিসি ও মন্ত্রণালয়ের কাছে আমাদের যে দাবি ছিল, তা পূরণ করা হয়নি এবং আমাদের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি। তাই আমরা অনশনের ডাক দিয়েছি। অনশনে বসার পর শিক্ষার্থীদের সাথে কোনো খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।”